Mustard flower's Honey (সরিষা ফুলের জমা মধু)
/ মধু-Honey
/ Mustard flower's Honey (সরিষা ফুলের জমা মধু)
Mustard flower's Honey (সরিষা ফুলের জমা মধু)
Mustard flower's Honey (সরিষা ফুলের জমা মধু) thumbnail 1Mustard flower's Honey (সরিষা ফুলের জমা মধু) thumbnail 2

Mustard flower's Honey (সরিষা ফুলের জমা মধু)

সরাসরি খামারে গিয়ে আমরা নিজেরা উপস্থিত থেকে এই মধুটি সংগ্রহ করেছি। **সরিষা ফুলের একটা সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো এই মধু কম তাপমাত্রায় জমে গিয়ে দানাদার আকার ধারণ করে এবং তখন এর রঙ পরিবর্তিত হয়।** খেতে দানাদার তবে মোলায়েম এবং স্বাদ ও ঘ্রাণে অনন্য। মধুটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিলে ক্রিমের মতো হয়ে যায় এব এটি তংন রুটি পাউরুটির সাথে খেতে চমৎকার লাগে

600-550
In Stock

Weight :

1 Kg
2 kg
500 gm
-+
হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার করুন

সরিষা ফুলের জমা মধু (Crystallized Mustard Honey)

সরিষা ফুলের মধু হলো সেই মধু যা মৌমাছিরা প্রধানত সরিষা ফুল থেকে নেকটার (ফুলের রস) সংগ্রহ করে তৈরি করে। শীতকালে যখন বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সরিষা ফুলের হলুদ চাদর বিছানো থাকে, তখন মৌমাছিরা এই ফুল থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত থাকে।

বৈশিষ্ট্য:

  • রং: এই মধু সাধারণত হালকা সোনালী বা হলুদাভ সাদা (ক্রিম) রঙের হয়ে থাকে। তবে সময়ের সাথে সাথে বা বিভিন্ন অঞ্চলের সরিষার প্রকারভেদে এর রঙে কিছুটা তারতম্য দেখা যেতে পারে।

  • গন্ধ ও স্বাদ: সরিষা ফুলের মধুতে একটি স্বতন্ত্র গন্ধ থাকে, যা অনেকটা সরিষার তেলের ঝাঁঝালো গন্ধের কাছাকাছি, তবে বেশ হালকা ও মিষ্টি। এর স্বাদও মিষ্টি, তবে কিছুটা ঝাঁঝালো ভাব থাকতে পারে।

  • জমাট বাঁধা (Crystallization): সরিষা ফুলের মধুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি খুব দ্রুত জমে যায় বা দানাদার হয়ে যায়। এটি এই মধুর একটি প্রাকৃতিক ধর্ম। মধুতে থাকা গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের অনুপাতের ওপর মধুর জমাট বাঁধার প্রবণতা নির্ভর করে। সরিষার মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি সহজেই জমে যায়। জমে যাওয়া মধু ভেজাল বা নষ্ট হয়ে যাওয়া মধু নয়, বরং এটি খাঁটি মধুর একটি লক্ষণ।

সরিষা ফুলের জমা মধুর স্বাস্থ্য উপকারিতা:

সরিষা ফুলের মধু, অন্যান্য খাঁটি মধুর মতোই, বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর अनेक স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে:

১. তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়: এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা (ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ) দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায়, যা শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে।
২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ: এই মধুতে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
৩. সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা উপশম: গরম জল বা চায়ের সাথে সরিষা ফুলের মধু মিশিয়ে পান করলে সর্দি, কাশি এবং গলা ব্যথায় আরাম পাওয়া যায়। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী শ্বাসনালীর সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।
৪. হজমে সহায়ক: এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখে।
৫. ক্ষত নিরাময়ে কার্যকর: এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিসেপটিক উপাদানের কারণে ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া বা পোড়া জায়গায় লাগালে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
৬. ত্বকের যত্নে: সরিষা ফুলের মধু ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ঘরোয়া ফেসপ্যাকে এটি ব্যবহার করা হয়।
৭. হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী: সীমিত পরিমাণে নিয়মিত মধু খেলে তা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদযন্ত্রের সার্বিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করতে পারে।
৮. ঘুমের সমস্যা দূর করে: রাতে ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু হালকা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে ভালো ঘুম হতে পারে।
৯. রক্তশূন্যতা কমাতে সহায়ক: মধুতে সামান্য পরিমাণে আয়রন ও অন্যান্য খনিজ উপাদান থাকে যা রক্তশূন্যতা পূরণে পরোক্ষভাবে সাহায্য করতে পারে।
১০. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে (তবে পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে)।

জমা মধু তরল করার উপায়:
জমে যাওয়া মধু তরল করতে চাইলে, মধুর পাত্রটি একটি গরম জলের পাত্রে কিছুক্ষণ রেখে দিন। সরাসরি মধু গরম করা উচিত নয়, কারণ এতে মধুর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সতর্কতা:
এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়, কারণ এতে ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম নামক ব্যাকটেরিয়ার স্পোর থাকতে পারে, যা শিশুদের জন্য ক্ষতিকর।

সরিষা ফুলের জমা মধু তার স্বতন্ত্র স্বাদ, গন্ধ এবং অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য একটি চমৎকার প্রাকৃতিক খাবার। এটি শীতকালীন মধুর এক দারুণ উদাহরণ।